হজরত আলী বলেন, শরীয়তপুর শহরের আলোচিত চাঞ্চল্যকর মামলা এটি। পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ, তারা অতিদ্রুত গতিতে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে। আমরা এই মামলা রাষ্ট্রপক্ষে চেষ্টা করব আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করার জন্য।
শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, ‘আমরা আদালতের মাধ্যমে চার আসামিকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করি। আদালত দুজনকে পাঁচদিন ও একজনের তিনদিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আর একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।’
এদিকে নিবিড়ের হত্যাকারীদের ও অন্তরালের পরিকল্পনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার দুপুরে শরীয়তপুর শহরের মধ্যবাজার সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনসহ সহস্রাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিক্ষোভকারীরা শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্মারকলিপি দেন। মানববন্ধনে বক্তারা হত্যাকারীদের ও পরিকল্পনাকারীদের ফাঁসির দাবি জানান।
গত সোমবার স্কুল থেকে ফিরে খেলাধুলার জন্য বাড়ি থেকে বের হয় নিবিড়। এরপর তাকে আর খুঁজে পায়নি তাঁর পরিবার। সন্ধ্যায় নিবিড়ের মা নিপা আক্তারের মোবাইলফোনে কল করে অপহরণকারীরা ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। পরে পুলিশ তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার পরিকল্পনাকারী সিয়ামকে গ্রেপ্তার করে। অপহরণকারী সিয়ামকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলে তাঁর দেওয়া তথ্যমতে গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টার দিকে বাড়ির ৫০০ মিটার দূরে পরিত্যক্ত জমিতে মাটিচাপা দেওয়া মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সিয়ামের তিন সহযোগী শাকিল, শাওন ও তুহিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন নিবিড়ের দাদা। পরে চার আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়।
জাজিরা সময়